Friday, 30 August 2019

Nobel Churi Rahasya by Saikat Sarkar

Credit: the insanely talented Saikat Sarkar

নোবেল রহস্য

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল চুরির রহস্য ভেদ করতে আছেন ব্যোমকেশ, কাকাবাবু ও ফেলুদা !! তারা কি পারবে রহস্যের সন্ধান ভেদ করতে, খুঁজে পাবে কি নোবেল ?

ফেলুদা : নমষ্কার, আমি প্রদোষ চন্দ্র মিত্র | কোলকাতাতে একটি জটিল রহস্যের আবির্ভাব হয়েছে তাই জন্য তোমাকে ফোন করা আর | তাই আমরা (আমি,ব্যোমকেশ,কাকাবাবু ) চাই তুমিও আমাদের পাশে থাকো |

শার্লক : আমি আসছি, চিন্তা করোনা তোমরা |

ফেলুদা : আমি এয়ারপোর্টে আমার পরিচিত দুইজনকে পাঠাবো, তুমি এসো দেখা হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি !!
ব্যোমকেশ : কি দেখছো ফেলুদা ! ফোন করো |

ফেলুদা : হ্যা, ফোন করছি দারা আর ভাবছি শার্লক এই প্রথম কলকাতায় আসবে তাই কে যাবে ওকে আনতে |

জটায়ু : আপনি কংসাল্টিং ইনভেস্টিগেটার, শার্লক হোমস। আমি লালমোহন গাঙ্গুলী ওরফে জটায়ু।

শবর : আমি কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা | লালবাজারে আমার অফিস, কাল ফেলুদা ফোন করে জানালো লালমোহন গাঙ্গুলী -র সাথে আমাকেও থাকতে আজ আপনাকে নিয়ে যেতে |

শবর: কি গড়পারের বাবু এত টেন্স কেন ?

আপনারা সাবধানে যান আমার এখানে একটা কাজ আছে আমি পরে যাচ্ছি ফেলুদার সাথে কিছু কথা আছে এই রহস্যের বিষয়ে !

জটায়ু ভাবছেন : ধুর মশাই... ফেলুবাবু আসলে ভালো হতো | শার্লক বাবু কি মনে করছে কে জানে 🙁

কাকাবাবু : ফেলুদা এনাকেও আমাদের সবার কাজে লাগবে সবাই একসাথে কাজ করলে খুব তাড়াতাড়ি নোবেল রহস্যের একটা দিক পাবো ....

ব্যোমকেশ : আমার ও তাই মনে হয় ফেলুদা !!

ফেলুদা : বেশ ! তাহলে ফোন করে পরিস্তিতির কথা জানাচ্ছি দেখি সে কি বলে এই বেপারে |

কাকাবাবু : ফোন করো শার্লকে দেখো কোনোভাবে ওনাকে এখানে আসতে বলো | আমরা চারমূর্তি একসাথে থাকলে খেলা জমে যাবে !!

ফেলুদা : নমষ্কার, আমি প্রদোষ চন্দ্র মিত্র ওরফে ফেলু বলতে পারেন আমাকে| আপনার এখানে আসার একটাই কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল রহস্যের সন্ধানে আমাদের সাথে আপনাকেও থাকতে হবে |

শার্লক : নমষ্কার, অবশ্যই আমি আপনাদের সাথে আছি এবং শেষ পর্যন্ত থাকবো |

ব্যোমকেশ : নমষ্কার, শার্লক | আমার মনে হয় শান্তিনিকেতনে একবার যেতে হবে | আমাকে একটু আগে শবর ফোন করেছিল তখন ফেলুদা ছিল না বলতে ভুলে গিয়েছিলাম , শবর বলেছিলো - " শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলায় কিছু তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে সূত্রের খবর পেয়েছি আমি , তাই ওখানে যাওয়া দরকার "

কাকাবাবু : ঠিক আছে আমরা যাবো

জটায়ু : হইলি সাসপিসাস মশাই !!

শার্লক : মি. মিটার, আমার মনে হয় আমাদের সবার শান্তিনিকেতন না যাওয়া ভালো |

ফেলু : কিন্তু, কে কে যাবে তাহলে!!

ফেলুদা : মিঃ রায় চৌধুরী(কাকাবাবু) তুমি ও জটায়ু শান্তিনিকেতন যাবে এবং ওখানে কি হয় জানাবে |

জটায়ু : ও মশাই...... আপনি আমাকে পাঠাবেন, ব্যোমকেশ গেলে ভালো হতো যে |

ব্যোমকেশ : ফেলু, তুমি ঠিক বলেছো আমরা সবাই গেলে অনেকে সন্ধেহ করতে পারে|

ফেলুদা : সাবধানে যেও তোমরা আর লালমোহন বাবু আপনি কিন্তু একটু বেশিই সাবধানে থাকবেন আর একসাথে থাকবেন!!

কাকাবাবু : লালমোহন বাবু আপনাকে প্রদোষবাবু একসাথে থাকতে বলেছেন তো আপনি আবার অন্য গেট দিয়ে নামলেন কেন !!

লালমোহনবাবু : না মশাই, আসলে এই দিকে একটু পাকোরা খেতে নামলাম, আমি তো ভাবলাম আপনিও আছেন |

লালমোহনবাবু : এখানে এলে কেমন কবি কবি ভাব আসে মশাই ।

কাকাবাবু : ছন্দের অভাব নেই ত, লিখে ফেলুন আপনি একটা কবিতা ?

লালমোহনবাবু : আমি কি বৈকুণ্ঠ মল্লিক, সে ট্যালেন্ট আমার নেই মশাই। কিন্তু যাই বলেন এখানে একটা ইয়ে ভাব আছে।

ওই ভাব যাতে আমাদের পরে প্রজন্মের ও থাকে সেই জন্য ত আসা।

লালমোহনবাবু : বোলপুর আই, নাকি মশাই।

কাকাবাবু : চলুন ওই দিকে যাওয়া যাক

মগনলাল :- লাজবাব

নোবেল হাতে আসার পর.....

ব্যোমকেশ নোবেল এখন শান্তিনিকেতনে আছে প্রদোষকে বলে দিও এবং সেটি মগনলাল এর হাতে আর তার সাথে বনবিহারী বাবু ও রয়েছেন।

শবর : ফেলুদা নেই,

শার্লক: না, প্রদোষ এই বাইরে গেল। আমাকে বলো তুমি কি হয়েছে।

শবর: আসলে ফেলুদা আসলে একটু বলবেন কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টে কিছু মূল্যবান জিনিস পাচার হবার সূত্র পেয়েছি, এই দেখুন।

*আমি লেখক নয় সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারলাম না ,লিখলাম আপনাদের একটু বোঝার জন্য, ধন্যবাদ।
ফেলুদা: বুঝলে, আমাদের কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট যাওয়ার আগে একবার মগনলাল এর সাথে দেখা না করলে হয় শার্লক।

ফেলুদা : নোবেল কোথায় মগনলাল

মগনলাল: আরে ফেলু বাবু আমি কি করে জানবো বলেন । আপনি এখানে এসেছেন তা ভালো, শান্তিনিকেতন ঘুরে যান

ওঃ আঙ্কেল আপনি কেমন আছেন আর আপকো সারবত খিলাব না চিন্তা করবেন না। উনি কে আছেন ফেলুবাবু?

ফেলুদা: উনি কে আছেন সেটা উনি বলবেন এবং এবারে উনি খেলা দেখবেন মগনলাল । ভালো কথায় জিজ্ঞাসা করছি নোবেল কোথায়, বলুন?

*আমি লেখক নই সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারলাম না ,লিখলাম আপনাদের বুঝতে সাহায্য হওয়ার জন্য,ধন্যবাদ।

মনে পড়ে মগনলাল !!



***






No comments:

Post a Comment